Posts

Showing posts from March, 2018
Image
তুমি তখন মাত্র তেইশ বছরের যুবক। আর আমি বিশ। পাগলামি তে ভরা একটা সময় ছিলো বাসায় রিলেশনের কথা জেনে যাওয়ায় আমাদের কঠিন নজরে রাখা শুরু হলো। আমার তো বাড়ি থেকে বের হওয়া বন্ধ। একদিন পালিয়ে গেলাম তোমার সাথে। সব ছেড়ে ছুড়ে নতুন করে তোমার সাথে বাঁচার জন্যে হাত ধরলাম তোমার। বিয়ে হয়েছিলো তোমার এক ফ্রেন্ডের কাছে টাকা ধার করে। তুমি আমায় শুধু একটা মেহেদী কিনে দিয়ে বলেছিলে, মেহেদী হাতে দিলেই আর কিছু লাগে না, নতুন বউ মনে হয় হাত দুটো দেখলেই। সেই মেহেদী পরা হাতে তোমার হাত ধরলাম, তারপর কতো ঝড়বৃষ্টি, তুফান, টর্নেডো, সুনামি দুজন মিলে কাটিয়ে দিলাম এক ছাতার নিচে। দের হাজার টাকায় একটা বাড়ির চিলেকোঠায় রুম ভাড়া নিলাম । সেই দের হাজার টাকাও জোগাড় হতো খুব কষ্ট করে। টিউশনির পাশাপাশি তুমি জব খুঁজতে শুরু করলে। তখনও তোমার গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট হয়নি। একটা জব পেয়েও গেলে কপাল জোরে। পাঁচ হাজার টাকা স্যালারি। সারাদিন আমি একা একা থাকতাম, রান্না করা ঘর গোছানো করে ব্যস্ত রাখতাম নিজেকে। তুমি সন্ধ্যা বেলা ফিরতে। আমাদের রুমে বিছানা ছিলো না, মেঝেতে একটা কাথা বিছিয়ে ঘুমাইতাম আমরা। রাতের খাবার খেয়ে আমরা বাইরে বসতাম। আমি তোমার কোল...
Image
★গুন্ডি মেয়ে 😂 😂 😂 বাসার কলিং বেল এর শব্দে আমার সাধের ঘুম টা হারাম হল,আম্মু ও দরজা খোলে না,তাই বাদ্ধ হয়ে আমার ই খুলতে হল। দরজা খুলে দেখি আম্মুর বেষ্টফ্রেন্ড আর তার মেয়ে। :-আসসালামু আলাইকুম। আন্টি কেমন আছেন?? :-অলাইকুম আসসালাম। ভালো বাবা তুমি কেমন আছ? :-ভালো আন্টি। এখন মনে হয় আর ভালো থাকা হইবো না। আন্টি এই পেত্নী টারে আনছেন কেনো। এখন একটুও শান্তি তে থাকতে দেবে না। :-ওই ছেমরা তুই কি কি কইলি। আমি পেত্নী দারা তোর খবর আছে। আমি কি আর ওখানে থাকি সোজা রুমে এসে দরজা বন্ধ করে দেই। যে গুন্ডি মাইয়া আমারে মাইরা ফেলতো। ও আপনাদের আমার পরিচয় টা দিয়ে নেই। আমি রাফসান ইসলাম সাইদুল।অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্র। মা বাবার একমাত্র আদরের বাদর ছেলে। আর যার জন্য রুমের দরজা আটকালাম সে হলো আমার বেষ্টফ্রেন্ড, নুসরাত ফারিয়া। দুজন একই সাথে পড়ালেখা করি।আমার আম্মু আর ফারিয়ার আম্মু বেষ্টফ্রেন্ড এখন আমি আর ফারিয়া বেস্টফ্রেন্ড। সারাদিন আমার সাথে ঝগরা করে আমি কিছু বলতে পারি না। কিছু বললেই আম্মুর কাছে নালিশ করে আর আম্মু আমাকে সু মধুর কিছু বানি সুনিয়ে দেয়। ওই হাদারাম তুই রুম দিয়া বাহির হবি না। একবার বাহির হও তোরে দেইখা নি...
Image
Suddenly after the breakup ....... Girl: You know? Boy: Your face is not like a fool. Girl: See you after a long time. is not it ?? Boy: hmmmm 3 years 4 months. Girl: How are you? Boy: I'm fine. How are you She: Good. Boy: Suddenly on this street? She: So Boy: And well. (For some time silence. Then .....) The girl: I remember walking every hour in the street with the walk Talk ?? Boy: Some memories can never be forgotten. Girl: You got married? Boy: I will not marry this woman. Girl: Still love me? Boy: I do not know. Girl: But what? Boy: No longer have any trouble for anyone, somebody's call Do not wait for Girl: Huff? Boy: It can not be done on everyone. I was proud of him It's gone. What is the huff? Girl: Still angry? Son: I do not have the right to anger ... (The boy picks out a cigarette from the pocket) Girl: Why eat cigarettes? Boy: If the smoke of nicotine is far away from my troubles Why do not you do him? Girl: Still writing poetry...
Image
""""'বন্ধুর বোনের সাথে প্রেম"""" আমি শুভ এবার অনার্স ২য় বর্ষের ছাএ।আমার এক বন্ধু ছিল তার নাম অনিক,সে আমাকে তার বিয়েতে তাদের গ্রামের বাড়ি যেতে বলছে,আমাকে ছাড়া নাকি সে বিয়েই করবে না? তাই বাধ্য হয়ে চলে এলাম বন্ধুর বাড়ি।-কীরে শুভ এতো দেরি করলি কেন,""না মানে এমনি।-ওকে ঠিক আছে তুই ফ্রেস হয়ে খেতে আয়""ওকে,চলে এলাম ফ্রেস হতে।বাথরুমের দোড়জা খুলা ছিল তাই এমনি ঢুকে পরলাম,তারপর যে আমার কী হলো তা আমি........... -এই আপনি কে, আর এইভাবে কেনো আমার ওয়াশরুমে ঢুকে পরলেন?তখন আমি শুধু কল্পনার জগৎতে  ভাসতে থাকি,কী যেন দেখে আমার মন উদাসিনী হয়ে গেল মনে মনে ভাবতে থাকি।-এই যে মি: কথা বলসি কানে যাচ্ছে না?না মানে আমি অনিকের বন্ধু শুভ,এটা বলে ওখান কেটে পড়লাম। আর ভাবতে লাগলাম, যাক বেঁচে গেলাম যদি চিৎকার করত তাহলে যে কী হয়ে যেত। পরের দিন সকালে আমি বুঝতে পারলাম, যে মেয়েটির এই সর্বনাশ করাটা ঠিক হয়নি।তাই মেয়েটির কাছে সরি বলার জন্য তাকে খুঁজতে খুঁজতে অবশেষে ছাদে পেলাম।ওহ আমাকে দেখে মুচকি মুচকি হাসছে আমি হাসির মানে বুজলাম না,I am sorry.- কেনো সরি বলছ...
Image
গার্লফ্রেন্ড কল দিয়ে বয়ফ্রেন্ডকে বলল— . ‘সামনে কেয়ামত; বাসায় আমার বিয়ে নিয়ে আলোচনা চলছে !’ . ‘আলহামদুলিল্লাহ । অনেক দিন ধরে বিয়া খাই না; তোমার বিয়া খামু ।’ . ‘বিয়ে খাবা না; থাপড়া খাবা ! লজ্জা করে না তোমার— জিএফএর বিয়ে খেতে চাও?’ . ‘পুরুষ মানুষের আবার লজ্জা কীসের?’ . ‘চুপ থাকো ! আমি তোমাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করব না । তুমি এক্ষুনি গিয়ে তোমার বাবাকে বিয়ের কথা বল ।’ . বয়ফ্রেন্ড দুরুদুরু বুকে পাঁশের রুমে বাবার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে বলল — ‘বাবা, আমি বিয়ে করব !’ . ‘তোর সাথের সবাই বিবিএ শেষ করে এমবিএ করার চিন্তা করছে আর তুই করছিস বিএ অনার্স করার চিন্তা? তোরে তো জুতা খুলে মৌজা দিয়ে পিডানো উচিৎ ! যা সামনে থেকে ।’ . বাবার কাছে ভয়ঙ্কর ঝাড়ি খেয়ে আবার গার্লফ্রেন্ডকে কল দিল— ‘জান বাবাকে বিয়ের কথা বলছি । উনি বাঘের মতো হুঙ্কার দিয়ে আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছে ।’ . ‘তোমার মত ভোন্দা মার্কা ছেলেকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না; আমি আসতেছি তোমার বাসায় । তোমার বাবা- মাকে সব বুঝিয়ে বলব ।’— বলে গার্লফেন্ড ফোন কেটে তার মিরপুরের বাসা থেকে যাত্রাবাড়ী তে বয়ফ্রেন্ডের বাসায় রওয়ানা দিল । . ... এরপর...
Image
অফিস শেষ করে বাসায় ফিরার পর,,দেখি বউয়ের শরীর টা তেমন ভালো না। বিছানায় শুয়ে আছে। গায়ে ভীষণ জ্বর। জিজ্ঞেস করলাম,, কিছু খেয়েছো? ও মাথা নেড়ে না সূচক উত্তর দিলো। . তারপর ফ্রিজ থেকে মাছ আর কিছু তরকারি বের ঝটপট রান্নার কাজে লেগে গেলাম। . ওহ রান্না করতে করতে এই সুযোগে আমাদের পরিচয় পর্বটা সেরে নেয়া যাক,, আমি শাহ পরান আল-কুরায়েশি।অনার্স শেষ করে,, ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টে ছোটখাটো একটা পোষ্টে চাকরি করছি,,যার সাথে কথা বলছিলাম উনি হচ্ছেন আমার একমাত্র সহধর্মিণী "প্রিতী"। বিয়ে হয়েছে সবে মাত্র একমাস হলো।আমাদের বিয়েটা পারিবারিক ভাবেই সম্পন্ন হয়।যদিও একমাস সময় টা খুব বেশিনা।তবুও এই এক মাসেই মেয়েটার মায়ার ঘোরে আবদ্ধ হয়ে গেছি।মেয়েটির মায়াময় মুখের দিকে তাকিয়ে আমি বারবার ওর প্রেমে উন্মাদ হয়ে যাই।ওর প্রতি আমার ভালোবাসাটা প্রতিনিয়তই আরো প্রসার হতে শুরু করেছে। . -একটু উঠে বসতে পারবে?-আমি -হুম অবশ্যই-প্রিতী প্রিতী ওঠে বসে আছে,, আমি রান্না করা খাবার গুলো নিয়ে ওর সামনে রাখলাম। -এই তুমি রান্না জানো?!! -হুম,যখন হোস্টেল থাকতাম,,তখন রান্নাটা নিজের মধ্যে আয়ত্ত করে নিয়েছিলাম,আমরা তিন বন্ধু এক সাথে রান্না ...
Image
আমার নাম নাগমা , বয়স—- বছর, ক্লাস —- এ পড়ি। আমি আমার আব্বু আম্মুর বড় মেয়ে। আমার একটা ছোট ভাই ও আছে, ওর বয়স ৫ বছর। আমার আম্মু আমার আব্বুর তিন নম্বর বিবি। আমার আব্বুর আগের দুই বিবি তাদের বাচ্ছা কাচ্চা নিয়ে আলাদা আলাদা থাকে। আব্বুর প্রথম বিবির পাঁচটি ছেলে আর দ্বিতীয় বিবির তিনটি। সকলেই আমার থেকে বয়েসে বড়। আব্বু প্রতি সপ্তাহে দু দিন করে আমাদের বাড়িতে থাকেন। সপ্তাহের বাকি দিন গুলো ওনাকে ওনার অন্য বিবিদের সঙ্গে থাকতে হয়। ওনার খুব বড় কাঠের বিজনেস আছে। আমার বয়স — বছর হলেও এই বয়সেই আমার যৌবন ফেটে বের হচ্ছে। আমি ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি লম্বা, বুকের সাইজ ৩০”, গায়ের রং ধবধবে ফর্সা, কোমর পর্যন্ত ছড়ানো লম্বা কালো রেশমী চুল। যখন আয়নায় নিজেকে দেখি তখন আমি নিজেই অবাক হয়ে ভাবি আমি এতো সুন্দর। একদিন আমার আম্মুর আব্বু হটাত করে অসুস্থ হয়ে পড়লেন। ওঁর বাড়ি থেকে সকালে ফোন করে জানানো হল। খবর শুনেই আম্মু আমার ছোট ভাইকে নিয়ে তড়িঘড়ি করে তাঁকে দেখতে নার্সিংহোম বেরিয়ে গেলেন । আমি বাড়িতে একলা রইলাম। আম্মু দুপুরের দিকে আমাকে ফোন করে বললেন যে ওঁর আব্বুর অবস্থা খুব খারাপ তাই আম্মু আগামী দু তিন দিন হয়তো বাড়িতে ফিরতে পারবেননা। ওঁ...